”Of their goods, take zakat, so that you might purify and sanctify them.”

Surah Taubah: 103

What is Zakat?

An obligatory annual payment, Zakat is paid by qualifying adult Muslims whose wealth exceeds the Nisab value for one Islamic (lunar) year. This donation pleases Allah (SWT). Payments are made to support those most in need both domestically and around the world.

Who is Eligible for Zakat?

The Holy Qur’an determined who is eligible to receive Zakat, stating:

“As-Sadaqat (Zakat) are only for the Fuqara’ (poor), and Al-Masakin (the needy) and those employed to collect (Zakat funds); and for to attract the hearts of those who have been inclined (towards Islam); and to free the captives; and for those in debt; and for Allah’s Cause (i.e. for Mujahidun – those fighting in the holy wars), and for the wayfarer (a traveller who is cut off from everything); a duty imposed by Allah. And Allah is All-Knowing, All-Wise.”

– Chapter at-Tawbah Tevbe, 60

This means that Zakat donations cannot be given to just anyone. A husband cannot give his Zakat to his wife as he is already responsible for her, just as he is his children. A wife, though, is permitted to give Zakat to her husband, so long as he meets the relevant criteria – she must not benefit in any way from this donation (i.e. the husband using the funds to pay for a gift for his wife).

Those eligible to receive Zakat can be placed into one of eight categories, which are:

  • Fakir – those with little to no income or wealth
  • Miskin – those who are without food
  • Amil – anyone designated to collect and distribute Zakat
  • Riqab – anyone held involuntarily against their will in captivity or as a slave
  • Gharmin – those struggling with unmanageable debt
  • Fisabillillah – those who fight for Allah (SWT)
  • Ibnus Sabil – struggling and/or stranded travellers
  • Muallaf – friends of the Islamic community and/or revert Muslims

Not every Muslim is obligated to pay Zakat as per the rules set out in the holy Qur’an. To be eligible to pay Zakat, you must be past the age of puberty, of Muslim faith, sound mind, free and have a positive cash/goods flow, as well as a personal wealth which exceeds the Nisab value.

Muslim Aid will ensure that your Zakat is distributed to those most in need – see the difference that your Zakat have, and continue to make, to those eligible to receive the donation.

What is Nisab?
Nisab is the threshold for which a Muslim’s personal wealth must be above if he or she is to be eligible to pay Zakat. There are two Nisab values from which the threshold is determined, which are:

  • Gold – the monetary value of 87.48 grams of gold
  • Silver – the monetary value of 612.36 grams of silver

Because the valuation of gold and silver fluctuates so, too, does the Nisab threshold. This is why tools such as our Zakat calculator prove so helpful as they help Muslims to quantify not only whether they qualify to pay Zakat, but how much it is they owe. A Muslim’s wealth must exceed the Nisab threshold for one full Islamic year, or ‘Hawl’, which is the term for a lunar year, which lasts for 354 days.

If your personal wealth dropped below the Nisab threshold at any point during the Islamic year but was above it both and the beginning and end of the Hawl, you should speal to your local imam for advice.

When Should I Pay Zakat?
You should pay your Zakat when your wealth has exceeded the Nisab threshold for one full Islamic year from the point your wealth first exceeded the threshold. The amount of Zakat you owe should be calculated on the day you make your payment. This means that regardless of by how much your wealth was above the Nisab threshold during the year, it is how your wealth stands at that moment from which your Zakat is calculated.

The holy month of Ramadan is the most popular time of year for Muslims to pay their Zakat as it is believed that donating during this time yields multiplied rewards and blessings. You can, though, pay Zakat any time during the year if your wealth has exceeded the Nisab threshold for a lunar year. This should also not be confused with Zakat al Fitr, or Fitrana, which must be paid during the month of Ramadan before the Eid prayers.

How Much Zakat Do I Need to Pay?
The Zakat that you owe is calculated on:

2.5% of personal wealth and annual savings
5% of a farmer’s assets where the farmer has funded the irrigation of crops
10% of a farmer’s assets where the farmer’s crops have been irrigated by rain
20% of valuables and resources on the property, such as gold, silver, and oil

What Should I Include in my Zakat Calculation?
Your owed Zakat is calculated on your wealth, including personal assets and cash. Zakat is only payable on a property that does not contribute to your day-to-day living – i.e. a second home which you do not live in should be included in your calculations while your first home, the one in which you do live, should not be included. This is also true for vehicles, with your second car eligible to be included in your Zakat calculations as it is considered to be a luxury, while your first care is considered a necessity and is not to be included.

The assets that are eligible to be considered for Zakat are:

Cash at home, in a bank or savings accounts
Funds saved for a special occasion or reason (such as hajj, a deposit on a property or a wedding etc…)
The value of any gold and silver in your possession
Any stocks and shares that you own
The total value of any income generated from renting out an owned property (such as a second home)
The value of any debt you have acquired that you expect to be returned (such as lending money to a friend/relative)
What not to consider when calculating Zakat:

Any payments due to be paid in the month you pay your Zakat
Money that you owe such as mortgage/rent payments, card debts and personal loans
Items such as household appliances and clothing
Business expenditures including bills, salaries, rents and rates
Business loans and overdrafts
Can I Pay My Zakat in Instalments?
You are permitted to pay your Zakat in instalments, although it is preferred as a single lump sum. Those assured that their wealth will remain the same can pay in advance of the due date.

What is Zakat-ul-Fitr (Fitrana)?
Zakat al Fitr, or Fitrana, is a different payment to Zakat that can only be made during the holy month of Ramadan, before the start of Eid. Fitrana is traditionally given as food, but Muslim Aid will accept monetary donations, valued at £5 per person in the United Kingdom, which will pay for food to be given to those most in need.

Calculating Your Zakat
If you would like to easily calculate the amount of Zakat charity you need to pay, please click here.

How to Donate Your Zakat
Once you have calculated your Zakat, or you already know what your owed amount is, you can choose to make your donation through Al Markazul Islami (AMIBD.ORG). Doing so will support our appeals, helping thousands of innocent lives living in poverty around the world.

Calculate your Zakat

Product total
Options total
Grand total

বিগত বছরে এ.এম.আই সেবা কার্যক্রম

সাম্প্রতিক তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পে শহীদদের জন্য বডি ব্যাগ প্রেরণ করেছে আল মারকাজুল ইসলামী (এএমআই)। জানা গেছে, ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে আল মারকাজুল ইসলামী ২,০০০ বডি ব্যাগ পাঠিয়েছে ১০/২/২৩ইং রাত ১০টার ফ্লাইটে। রাত ১১টায় আল মারকাজুল ইসলামী জানায়, ‘রাত ১০টার ফ্লাইটে আমাদের ত্রাণ নিয়ে তুরস্কের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ছেড়েছে কার্গো বিমান। আমরা এ পর্যন্ত ২০০০ বডি ব্যাগ পাঠিয়েছি। অফিসে এএমআই সেচ্ছাসেবকরা আরও পেকেট প্রস্তুত করছেন। তাছাড়াও পরবর্তী প্রজেক্ট হিসেবে কম্বল পাঠানোর কথা চললেও স্থানীয় Tika তুর্কির সরকারী সংস্থার ডিপুটি কর্ডিনটার জানান, আমাদের দেশের জন্য বডি ব্যাগ পাঠান। এটাই সবচেয়ে উপকারী। তাই আমাদের আগামী প্রজেক্টও আরো ৩০০০ বডি ব্যাগ থাকবে ইনশাআল্লাহ।’

এর আগে আল মারকাজুল ইসলামীর চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা হামযা ইসলাম তার ফেসবুক একাউন্টের এক স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘পিতা রহ. জীবিত থাকলে অবশ্যই বলতেন, আব্বু তুর্কীর জন্যে কিছু করা যায়না?’

জানা গেছে, এরপর তিনি অফিস সদস্যদের নিয়ে মিটিং করে দুইদিনের মধ্যে ব্যাগ ক্রয় থেকে শুরু করে পেকেট করা, এম্বাসিতে পণ্য বুঝিয়ে দেওয়া ও সর্বশেষ প্রেরণসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। স্থানীয় দূতাবাস হতে জানানো হয় যে, ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের অস্থায়ী তাঁবুর জন্য ছোট ছোট জেনেরেটরের প্রয়াজন। যার ফলে প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত চেয়ারম্যান Hamza Shahidul Islam জেনারেটর ব্যবস্থার ফিকির করতে থাকেন। আলহামদুলিল্লাহ ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটি ঔষধের কোম্পানি Aristopharma Ltd. ৫০ টি জেনারেটরের ব্যবস্থা করেছেন।

দেশ ব্যাপী মোট ৯টি ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করে ৪০০০ হাজারেরও অধিক অসহায় ও গরীবদের ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে এবং এ থেকে ২০০০ হাজারের অধিক ছানী রোগী বাছাই করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পূর্বে বাছাইকৃত ২০০০ হাজারের অধিক অসচ্ছল ও গরীব চোখে ছানী পড়া রোগীদের ভ্রাম্যমান অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে ফ্রি চোখের ছানী অপারেশন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দুঃস্থ, গরীব ও অসহায় পরিবারের মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় ৫০টি পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়।

শুধুমাত্র ২০২২ সালেই সর্বমোট ১৮৬ জন জন্মগত ঠোঁট ও তালু কাটা রোগীর ফ্রি অপারেশন করা হয়েছে।

সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণা ইত্যাদি ২০২২ বন্যা দুর্গত এলাকায় ৫৫০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে একমাসের খাদ্য সামগ্রী প্যাকেট বিতরণ করা হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় শীতার্ত, অসহায় ও গরীবদের মাঝে ২১০০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

এ.এম.আই প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত শারীরিক ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী (অন্ধ) হিফজ মাদরাসায় ২৫জন ছাত্র—ছাত্রীর পড়ালেখা, খাবার, পোষাক—পরিচ্ছদ, চিকিৎসা, শিক্ষা উপকরণ ও যাতায়াত ভাড়া প্রদানসহ যাবতীয় ব্যয় বহন করে প্রতিপালন করছে।

কোভিড—১৯ শুরুলগ্ন ২৯/৩/২০২০ থেকে আজ পর্যন্ত আল—মারকাজুল ইসলামী (এ.এম.আই) ৭৫জন হিন্দু, ৫জন খ্রিস্টান ও ১জন বৌদ্ধসহ মোট ৬৮৮৫ জন মরহুমকে ফ্রি পরিবহন, গোসল, কাফন—দাফন/সৎকার ইত্যাদিসহ মৃত্যু পরবর্তী সকল কার্যক্রম আপনজনের মমতায় পরম যত্নে সম্পন্ন করেছে, আলহামদুল্লিাহ।

এ.এম.আই ভবনের লাশ গোসলখানায় শুধুমাত্র ২০২২ সালেই ননকোভিড (সাধারণ) মৃত ৫০২৮ জন মরহুমের ফ্রি গোসল সেবা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৩৩ জন অক্ষম ও অভাবগ্রস্ত পরিবারের মরদেহের গোসল, কাফন ও প্রয়োজনীয় উপকরণ (সাবান, আতর, গোলাপজল, আগরবাতি, করপুর ও কাফনের কাপড় ইত্যাদি) বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছে।

পবিত্র মাহে রমজান—২০২২ এ পথচারী রোজাদারদের মাঝে মাস ব্যাপী ইফতার বিতরণ করা হয়। সর্বমোট ৯০০০ জন পথচারী রোজাদারকে ইফতার দেওয়া হয়েছে। পবিত্র মাহে রমজান—২০২২ উপলক্ষ্যে গরীব ও অসহায় ২৭০০ পরিবারের মাঝে একমাসের ইফতার ও সাহরী সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

অভাবগ্রস্থ পরিবারের বিশুদ্ধ খাবার পানি নিশ্চিত করনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৪৫টি টিউবওয়েল দেওয়া হয়েছে। এ.এম.আই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মসজিদের মুসল্লিয়ানে কেরাম ও মাাদরাসার ছাত্র—ছাত্রীদের অজু—গোসলের জন্য ১২ টি গভীর নলকূপ (ডিপ) স্থাপন করেছে।

ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অসহায় মুসলিম রোহিঙ্গাদের কুরবানীর ঈদে মেহমানদারীর জন্য ৩৬টি গরু কুরবানী করে গোশত বিতরণ করা হয়। এ.এম.আই পরিচালিত ১২টি এতিমখানা ও গরীব—অসহায়দের মাঝে কুরবানীর গোশত বিতরণের জন্য ৬৫টি গরু কুরবানী করা হয়। আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ও শুধুমাত্র সেবার নিয়তেই ঢাকা মহানগরীর ৯১ পরিবারের কুরবানী পশু ক্রয় করে কুরবানী করা, গোশত বানানোসহ সকল কার্যক্রম শেষে সেবা প্রার্থীদের নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এ.এম.আই প্রধান ভবনে নিজস্ব ডিপটিউবয়েল ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন ১০হাজার লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানি বিতরণ করা হয়।

এ.এম.আই দেশের বিভিন্ন জেলায় ১২টি এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং ও পুরুষ/মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনা করছে। যেখানে ২৬৯জন এতিম ছাত্র—ছাত্রীর পড়ালেখা, খাবার, পোষাক—পরিচ্ছদ, চিকিৎসা, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ যাবতীয় ব্যয় বহন করে প্রতিপালন করছে। এ.এম.আই ১২টি লিল্লাহ বোর্ডিং ও মাদরাসায় ৩৭৮৯জন গরীব, অসহায় ও মেধাবী ছাত্র—ছাত্রীদের খাবার ও লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছে। ১২টি এতিমখানা ও মাদরাসায় ৩০১ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা ও স্টাফদের মাসিক বেতন প্রদান করা হচ্ছে।

পূর্বে মুদ্রণকৃত ৩৫০০ কপি কুরআন শরীফ রেহালসহ বিনামূল্যে বিতরণ চলমান রয়েছে।